উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে আহতদের চিকিৎসা চলছে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। হাসপাতালে মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বুধবার (২৩ জুলাই) জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের প্রধান গেটসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে আনসার, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। এদিন সকাল থেকে সাধারণ মানুষ ও উৎসুক জনতাকে হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এমনকি সাংবাদিকদেরও হাসপাতাল ভবনের ভেতরে অবস্থান করতে দেয়া হয়নি। তবে আহতদের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনরা বিনা বাধায় প্রবেশ করতে পারছেন।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে চিকিৎসা কাজে ব্যাঘাত ঘটছিল। তাই সকাল থেকে কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। ফলে আজ হাসপাতালে ভিড় অনেকটা কম। সাধারণ মানুষ বা কৌতূহলী জনতার আনাগোনা নেই বললেই চলে।
এদিকে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে। দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরো ১৬৫ জন।
এর আগে, সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে বিমানবাহিনীর একটি এফ-৭ বিজেআই যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের ১২ মিনিট পর ১টা ১৮ মিনিটে সেটি উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্তের পরপরই বিস্ফোরণ ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।










