বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় হত্যা মামলার আসামি এনামুল হককে (৩০) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া মহাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পেছন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত এনামুল হক হাপুনিয়া কলোনি গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

বগুড়ার শেরপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে হাপুনিয়া গ্রামের সালমা খাতুন নামের এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে এনামুল হক। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর আদালত থেকে জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। কিন্তু বেরিয়ে আসার পর থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন এনামুল। ভবঘুরে হিসেবে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় বধুবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এনামুল। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি।

 একপর্যায়ে গতকাল সকালের দিকে স্কুলমাঠসংলগ্ন শহীদ মিনারের পেছনে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

বগুড়ার শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের গলায় ও পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলা কেটে ও শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে এ ঘটনা সম্পর্কে আরো সঠিক তথ্য জানা যাবে।