বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণায় ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী। তিনি বলেন, ক্রমাগত ফার্ম লেবার কমছে। ১৯৬০ সালে ৬০ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজে যুক্ত ছিল। তা অর্ধেক হ্রাস পেয়ে এখন নেমেছে ৩০ শতাংশে। ২০৩০ সাল নাগাদ সেটি ২৫ শতাংশে নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যমান এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা। আর উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করার ফলে কৃষি খাতে তরুণদের আগ্রহ বাড়বে।

আজ সোমবার (৫ মে) বণিক বার্তা কর্তৃক রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত 'কৃষি, নিরাপত্তা ও প্রাণ-প্রকৃতি সম্মেলনে' এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ধানকেন্দ্রিক গবেষণাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। এর পাশাপাশি গম-ভূট্টায় শক্তিশালী গবেষণা প্রয়োজন। গম, ভূট্টা ও চিনিসহ বেশ কিছু খাদ্যকে আমাদের আমদানি করতে হয়। কিন্তু বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এসকল পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। কৃষি গবেষণায় উন্নত ল্যাবরেটরি, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের অংশীদারত্বকে উৎপাদন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করার মাধ্যমে কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে।