ট্রাকে পণ্য পরিবহনে নতুন নিয়ম জারির প্রতিবাদে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটে তিনদিন ধরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। এতে ভারতে পণ্য আটকা পড়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের আমদানিকারকরা। রাজস্ব আহরণেও বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা করছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার ট্রাকে পণ্য পরিবহনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ছয় চাকার ট্রাকে সর্বোচ্চ ২০ টন আর ১০ চাকার ট্রাকে সর্বোচ্চ ৩০ টন পণ্য পরিবহন করা যাবে। আগে ছয় চাকার ট্রাকে ৩০ টন ও ১০ চাকার ট্রাকে ৪০-৪৫ টন পর্যন্ত পণ্য পরিবহন করা হতো।
নতুন ওজনসীমা নির্ধারণের প্রতিবাদ এবং পশ্চিমবঙ্গের অন্য স্থলবন্দরগুলোর সঙ্গে হিলি বন্দরের বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে ভারতের হিলি বন্দরের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো যৌথভাবে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা প্রিন্স কুমার কুন্ডু বলেন, ‘ভারতীয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও রফতানিকারকরা কার্যক্রম বন্ধ রাখায় কোনো পণ্য আমদানি-রফতানি হচ্ছে না।’
এতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণে ঘাটতি হতে পারে। তিনদিনে এ ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা।’










