নির্বাচন ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর ২৩ ইস্ট রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম আহমেদ। একই সঙ্গে নির্বাচন ঘিরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কেউ যাতে কোনো বিশৃঙ্খলতা না করতে পারে সে বিষয়ে চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিদেশী পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী। এ বিষয়ে জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেনাবাহিনীর ২৩ ইস্ট রেজিমেন্টের অধিনায়ক এ কথা বলেন।

নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে লে. কর্নেল নাজিম আহমেদ বলেন, গত ৩ দিনে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তিনটি অস্ত্রসহ ২১টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং প্রচেষ্টা থাকবে যাতে এ নির্বাচন ঘিরে এসব অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কেউ যাতে কোনো বিশৃঙ্খলতা না করতে পারে।

অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে অধিনায়ক নাজিম আহমেদ বলেন, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের চাপাইন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ, রবিউল ইসলাম বাবু ওরফে মেশিন বাবু ও মাসুদ রানা আলভী ওরফে শুটার মাসুদ। তাদের আরেক সহযোগী স্বপন শেখ অভিযানের পূর্বেই পালিয়ে যান। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৭.৬৫ মি. মি. পিস্তল, দুটি ৭.৬৫ মি. মি. পিস্তল, ৪টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ১৫ টি ৭.৬৫ মি. মি. পিস্তল অ্যামোনেশন, ৫টি ৬. ৩৫ মি. মি. পিস্তল এ্যামোনেশন, ৬ রাউন্ড শর্টগান কার্তুজ, ৮টি রামদা ও ৫টি সামুরাই উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারদের রাজনৈতিক দলের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা বলেন, রাজনৈতিক দল এবং পোস্টেড নেতা কি না আমরা নিশ্চিত না। কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে গ্রেফতার করিনি। গ্রেফতার করেছি সন্ত্রাসী হিসেবে, অস্ত্র বিক্রেতা, অস্ত্রধারী হিসেবে আমরা গ্রেফতার করেছি।