এতে ওই পরিবারের সাত সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে গতকাল মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছে পরিবারটি।
অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পুরান ঢাকা থেকে লালমাটিয়ার বাসায় ফিরছিলেন ফারজানা কবির শান্ত, তার স্বামী আবু নাইম, মেয়ে আয়েশা, শাশুড়ি জোসনা বেগম এবং দুই ননদ আনিকা ও লুবাবার। তাদের গাড়িটি লালমাটিয়া ব্লক-এ পানির ট্যাংকের সামনে পৌঁছলে চারদিক থেকে ভ্যান, মোটরসাইকেল ও গাড়ি দিয়ে ঘিরে পথরোধ করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় আবু নাইম গাড়ি থেকে নেমে পথরোধের কারণ জানতে চাওয়া মাত্রই তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় ফারজানার ফোনে খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করতে দেবর আব্দুল্লাহ আল নাহিদ ও নাজমুল হাসান ঘটনাস্থলে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, আসামিরা ধারালো চাকু দিয়ে তাদের আঘাত করে। এরপর তাদের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও একটি দামি ঘড়ি ছিনিয়ে নেয়। এমনকি তাদের গাড়িতে আঘাত করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করে। এ সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে নাহিদ ও নাজমুল গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে জানতে পেরেছি, রাতে গাড়ি নিয়ে ব্যবসায়ী পরিবারটি বের হচ্ছিল। এ সময় বাসার গেটের সামনে একটি রিকশার সঙ্গে গাড়ির ধাক্কা লাগে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে বেশকিছু সময় ধরে মারামারি হয়। এতে দুই পক্ষেরই আহত হয়েছেন। আমরা অভিযোগ পেয়েছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’









