অনিশ্চয়তা আর উৎকণ্ঠার অবসান হলো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলেন ঝিনাইদহের সেই মিশন আচার্য। শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার অজুহাতে তার নিয়োগপত্র আটকে দেয়া হলে অনিশ্চয়তায় পড়েন মিশন আচার্য ও তার পরিবার।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপে মিশন আচার্যের নিয়োগ-সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটে বলে জানা গেছে। গতকাল বিকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে শিক্ষক হিসেবে তার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজকের পর থেকে মিশন আচার্যের নামের পাশে যুক্ত হলো শিক্ষক পরিচয়।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও স্থায়ী ঠিকানা ও বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র আটকে দেয়। এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আনেন।










