গতকাল দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্ট দিয়ে ১০০ কার্টনে এসব আনারস এসেছে।
ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্ট সূত্রে জানা যায়, এদিন বেলা ১টার দিকে একটি পিকআপ ভ্যানে ১০০ কার্টনভর্তি মোট ৬২০টি কিউ জাতের আনারস এসেছে। এগুলোর ওজন ৭৪৮ কেজি। ত্রিপুরার হর্টিকালচারের সহকারী পরিচালক প্রণী ভূষণ জমার্দিয়ার কাছ থেকে এসব আনারস গ্রহণ করেন চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতের সহকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তারা।
আখাউড়া স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় উপহারসামগ্রী গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সহকারী কনসুলার পঙ্কজ জ্যোতি দাস, কর্মকর্তা সজীব চক্রবর্তী, আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ মো. আলাউদ্দিন ও আখাউড়া কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন।
ত্রিপুরা সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়; পরিচালক প্রণী ভূষণ জমার্দিয়া; উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপদেষ্টা রাজিব ঘোষ; আগরতলা, শ্রীমন্তপুর ও বিলোনিয়া স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ নন্দী বাবু; ৪২ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ইনচার্জ শচীন কুমার।
এ সময় জানানো হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সে সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করা এবং দুই অঞ্চলের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার অংশ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ত্রিপুরার বিখ্যাত কিউ জাতের আনারস পাঠানো হয়েছে।
ত্রিপুরার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায় বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের আম উপহার দেয়া হয়েছিল। আমাদের রাজ্যের পক্ষ থেকে আনারস উপহার দেয়া হলো।’










