দেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের বড় আয়োজনগুলোর একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা। এ মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে নানান শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে শোভাযাত্রায়। মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষঙ্গ
হলেও প্রাণোচ্ছলতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আকর্ষণ করে দর্শনার্থীদের।
এইচএসবিসি ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সানজিদা জাহান বলেন,
পহেলা বৈশাখ যদি দেখতে হয়, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে হবে। এটা আমাদের প্রাণকেন্দ্র।
চারুকলার উৎসব, মঙ্গল শোভাযাত্রা এগুলোই আসল। যদি কাউকে দেখাতে হয় নববর্ষ কী, তাহলে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দেখাতে হবে। এত কালার আর কোথাও সম্ভব নয়।
দর্শনার্থীরা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার জন্য মঙ্গল
শোভাযাত্রা একমাত্র উপলক্ষ্য নয়, মূলত তারুণ্যের প্রাণোচ্ছলতা, নানান রং, সৌজন্যতাবোধ,
বাঙালি কৃষ্টি কালচারের প্রাণকেন্দ্র এ বিশ্ববিদ্যালয়। সেজন্য ঘুরতে আসা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট
হাসপাতালের অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাকাউন্টেন্ট নাজিম উদ্দিন আহমেদ দীপ বলেন, আমরা চাই দেশটা
এগিয়ে যাক। ধর্মনিরপেক্ষতা, সৌজন্যতাবোধ যেন সবসময় থাকে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যাতে
বাঙালি সংস্কৃতি, কৃষ্টি যাতে ভুলে না যায় সেজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে আসা
হয়। এখানে আসলে এ সুন্দর উপলব্ধি অনুভব করা যায়। এজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভালো জায়গা।










