জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন হবে। এ নির্বাচন ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মতো নয়, এ নির্বাচন ২০২৬ সালের নির্বাচন। তিনি বলেন, এ নির্বাচন ৩৪ হাজার আমাদের ছেলেমেয়েদের পঙ্গুত্বের নির্বাচন। এ নির্বাচন আয়নাঘরের অন্ধকার যুগের অবসানের পরের নির্বাচন। এ নির্বাচন অতীতের ৫৪ বছরের যে রাজনীতি ফ্যাসিবাদ তৈরি করেছে, সেই বস্তাপচা রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন। অতএব এ নির্বাচনকে নিতে হবে সেই দৃষ্টিকোণ থেকে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামালপুর সিংহজানী হাইস্কুল মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামালপুরের ইসলামপুরে বন্যার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি ২২ সালের মে মাসের ২৪ তারিখে এখানে এসেছিলাম। তখন বলেছিলাম, আমি এখানে রিলিফ দিতে আসি নাই। আমি এসেছি আপনাদের একজন হয়ে আপনাদের এ দুঃখের সাক্ষী হতে। আমি এসেছি একজন আপনজন হিসেবে, আত্মীয় হিসেবে, আত্মার আত্মীয় হিসেবে। সেই বন্যায় আমার সহকর্মীদের নিয়ে আমি গলা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। হাসিনার দুষ্টু লোকেরা যেদিন আমাকে টেলিস্কোপ দিয়ে খুঁজছিল কোথায় থেকে আমাকে গ্রেফতার করবে। আমি জীবনের ভয় করি নাই।
দেশকে বদলে দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আসুন একটু শপথ নিই যে, নিজে বদলাব, দেশকে বদলায়ে দেব, ইনশাআল্লাহ। ভালো মানুষ হব, ভালো মানুষের দেশ গড়ব। যুবকদের হাতে বেকার ভাতা দিয়ে অপমানিত করব না, যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেব ইনশাআল্লাহ। এখানে স্পেশাল ইকোনমিক জোন, ডাবল রেললাইন, নদীভাঙনের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া, তারপরে নকশী পল্লী গড়ে তুলে মায়েদের স্বস্তির সঙ্গে কর্মসংস্থানের সম্মানজনক ব্যবস্থা করে দেয়াসহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে তার কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছে দেয়ার যে দাবিগুলো এখানে করা হয়েছে- সবগুলো যৌক্তিক দাবি। কথা দিচ্ছি, আপনাদের টাকা আপনাদের কাজে লাগবে। এ টাকায় হাত দিব না, চুরি করব না, লুণ্ঠন করব না, ব্যাংক খালি করব না, শেয়ার মার্কেট লুণ্ঠন করব না, চাঁদা তুলব না, দুর্নীতি করতে দেব না।










