ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে। এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমাশিল্পীরা। প্রতিটি মণ্ডপে এগিয়ে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বিধিমতো উদযাপনের লক্ষ্যে পূজা কমিটিগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে পূজা অনুষ্ঠানের সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ২২ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। করোনা মহামারীর কারণে এ বছর আড়ম্বর হচ্ছে না কোনো মণ্ডপে। মণ্ডপগুলোয় চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ।

শিল্পীর নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মৃন্ময়ী প্রতিমা ধীরে ধীরে দেবী রূপ ধারণ করছে। আয়োজকরাও ব্যস্ত সফলভাবে পূজা আয়োজনের কাজে। সদরে ১৩টিসহ জেলায় মোট ১৭২টি পূজামণ্ডপ স্থাপিত হচ্ছে। প্রতিমাশিল্পীরা জানিয়েছেন, এবার প্রয়োজনীয় উপকরণের মূল্য বাড়লেও বাড়েনি তাদের মজুরি।

প্রতিমা তৈরির শিল্পী গৌরাঙ্গ পাল বলেন, করোনার কারণে আমরা সমস্যায় আছি। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর আমাদের পারিশ্রমিক কম। বর্তমান সরকার অনেককে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু আমরা আজ পর্যন্ত কোনো সাহায্য-সহযোগিতা পাইনি। সরকারের কাছে আমরা আর্থিক সহযোগিতার দাবি করছি।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ঝালকাঠি জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার সাহা বলেন, এ বছর করোনা মুক্তির প্রার্থনা জানিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ঝালকাঠি পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা আয়োজনে সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলার ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকব। দর্শকরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সেজন্য সবার কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। গত বছর জেলায় ১৭৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হলেও এ বছর তা থেকে তিনটি কমে ১৭২টি পূজামণ্ডপ স্থাপিত হচ্ছে।