পতিত সরকারের যতই উন্নয়নের বয়ান বলা হোক না কেন, উন্নয়নের সূচকের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।’
ড. তিতুমীর বলেন, ‘রাষ্ট্র যখন সহিংস হয়ে ওঠে, তখন পরিবারে সহিংসতা বিদ্যমান থাকে। রাষ্ট্র যখন ভয় দিয়ে চালাতে চায়, তখন তার প্রতিটি পদক্ষেপে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে এবং এটাও পরিবারের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৭ বছরে পিতৃতান্ত্রিকতার যেকোনো ধরনের সূচক সবচেয়ে বেড়েছে এবং তার ফলাফল আজকের আলোচকদের কথায় উঠে এসেছে।’
গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) আয়োজিত ‘গ্রামীণ বাংলাদেশে ভূমির অধিকার ও নারীর প্রতি সহিংসতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এএলআরডির চেয়ারপারসন খুশী কবির।
স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ২০ শয্যা করা হয়। এরপর বেগম খালেদা জিয়া সেটাকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। তবে দুঃখের বিষয়, এখানে আর হাত দেয়া হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এটাকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করতে চায়, যাতে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া যায়।’
অধ্যাপক তিতুমীর বলেন, ‘সংবিধানে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী আমাদের ধাপে ধাপে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের দিকে যেতে হবে, যাতে প্রধানমন্ত্রী যে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্রের কথা বলেছেন, তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়।’
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে হবে। যারা গ্রামে কাজ করেন, তাদের এ বিষয়ে উৎসাহিত করতে হবে। স্কুলে গিয়ে বলতে হবে, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করুন। অফিসে গিয়ে বলতে হবে, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে এগিয়ে আসুন।’










