মিরসরাইয়ে ধান কাটা ও নেয়ার শ্রমিক সংকটে পড়েছেন বোরো চাষীরা। লকডাউনের কারণে উত্তরাঞ্চল থেকে শ্রমিক আসতে না পারায় এমন সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, করোনা মহামারীতে লকডাউনের কারণে যানবাহন বন্ধ থাকায় কৃষি শ্রমিক সংকটে পড়েছেন এখানকার কৃষকরা। এজন্য সময় পেরিয়ে গেলেও পাকা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভায় চলতি বছর ১ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক চলতি বছর বোরো আবাদ করেন। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৯২০ টন ধান। সবচেয়ে বেশি বোরো আবাদ হয়েছে দুর্গাপুর ইউনিয়নে। ওই ইউনিয়নে ৪২০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। কিন্তু লকডাউনের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে ধান কাটার শ্রমিকরা আসতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
দুর্গাপুর ইউনিয়নের বোরো চাষী আবুল হোসেন জানান, একসময় দুর্গাপুর ইউনিয়নে বোরো চাষ হতো না বললেই চলে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মহামায়া সেচ প্রকল্প উদ্বোধনের পর উপজেলার সবচেয়ে বেশি বোরো চাষ হচ্ছে দুর্গাপুরে।









