যিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, নিজের দল পরিচালনা করতে পারেন না, তার পক্ষে ১৮ কোটি মানুষকে পরিচালনা করা অসম্ভব। দেশের পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ৭০ শতাংশ গণভোটের রায় অস্বীকার করে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। সরকারের দমন-পীড়ন কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

হবিগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষে এক চোখে গুরুতর আঘাত পাওয়া আলিফ চৌধুরীকে দেখতে গতকাল রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

সরকার খুব শিগগির জনগণের প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পেট্রোবাংলা গ্যাসের দাম বাড়ানোর কথা বলেছে। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাসের মধ্যে দফায় দফায় জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা যানবাহনে গ্যাসের দাম বাড়ালে এর প্রভাব সারা দেশে পড়বে। সরকার যদি মনে করে তারা এভাবে দেশ পরিচালনা করবে, সেটি সম্ভব নয়। সরকার খুব শিগগির জনগণের প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়তে যাচ্ছে।’

আলিফ আহত হওয়ার তিনদিন হয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে খোঁজখবর না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ। তিনি বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গেছে, হবিগঞ্জ সদর থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আলিফের ওপর আক্রমণ করেছেন। তাদের নামে মামলা দেয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক বা আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এর মাধ্যমে সরকার বার্তা দিয়েছে, এ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ছাত্রদল, যুবদলের নামে সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো চাইলে যে কাউকে দিনদুপুরে আক্রমণ করতে পারে, মেরে ফেলতে পারে, চোখ উপড়ে নিতে পারে এবং তার বিচার এ দেশে হয় না। এর মাধ্যমে দেশে যে আইনের শাসন নেই, সেটিই প্রতীয়মান হয়েছে।’