এ প্রথমবার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া ছয়জন প্রতিযোগীর সবাই পদক জিতেছেন। একটি রৌপ্য ও পাঁচটি ব্রোঞ্জ জিতে ১১৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৩৯তম স্থান অর্জন করে। এবারের আসরে বাংলাদেশ দল মোট ১২১ নম্বর পেয়েছে, যা এখন পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতায় দেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।
বাংলাদেশ দলের হয়ে একমাত্র রৌপ্যপদক অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. রায়হান সিদ্দিকী। ব্রোঞ্জপদক পেয়েছেন ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাহসিন খান, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী এম জামিউল হোসেন, ঢাকা ইম্পিরিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী জাওয়াদ হামীম চৌধুরী, ঢাকার ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মনামী জামান ও চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মারজুক রহমান।
২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের সদস্যপদ লাভ করা বাংলাদেশ ২০০৫ সাল থেকে এ বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১টি স্বর্ণপদক, ৮টি রৌপ্যপদক, ৪৫টি ব্রোঞ্জপদক ও ৪৭টি সম্মানজনক স্বীকৃতি লাভ করেছে।
চলতি বছরের ৬৭তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হয় দেশব্যাপী কয়েক ধাপের বাছাইয়ের মাধ্যমে। এ প্রক্রিয়ায় অনলাইনে ১৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫১ হাজার ৫৩২ শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। বিভিন্ন ধাপের বাছাই, আঞ্চলিক ও জাতীয় গণিত উৎসব এবং জাতীয় ও বর্ধিত গণিত ক্যাম্প শেষে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি ছয় সদস্যের চূড়ান্ত দল গঠন করে।
এ ঐতিহাসিক সাফল্য উদ্যাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি গতকাল রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অডিটোরিয়ামে পদকজয়ী ছয় শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস ডার্টমাউথের সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস চ্যান্সেলর ও বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতাউল করিম, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান প্রমুখ।









