এবার রাজশাহীর বাগমারায় ব্যবসায়ী দুই ভাইয়ের গুদামে ২৬ হাজার ৭২৪ লিটার ভোজ্যতেল পেয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৯ হাজার ২২৪ লিটার সয়াবিন তেল। বাকি ৭ হাজার ৫০০ লিটার সরিষার তেল। বাড়তি মুনাফার আশায় রোজার শুরু থেকেই তেলের মজুদ গড়েছিলেন তারা। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে বাগমারার তাহেরপুর পৌর এলাকার বাজারপাড়া এলাকায় বিশাল এই তেলের মজুদ পাওয়া যায়।
এই ঘটনায় রাতেই গ্রেফতার হয়েছেন তেল ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম স্বপন (৪০)। তবে পালিয়েছেন তার আপন বড়ভাই রফিকুল ইসলাম (৪৫)। তারা ওই এলাকার হাজি ইসমাইল হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় দুই ভাইয়ের নামে রাতেই বাগমারা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। মামলাটির বাদী থানার উপ-পরিদর্শক জিলালুর রহমান।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, এই মামলায় গ্রেফতার শহিদুল ইসলাম স্বপনকে আজ মঙ্গলবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মামলার অপর আসামি পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ও মুখপাত্র ইফতে খায়ের আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ৮টার দিকে তাহেরপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাজারপাড়া গোডাউন মোড়ের একটি গোডাউনে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে শহিদুল ইসলাম স্বপনের গুদামে ১০০টি ব্যারেলে ২০ হাজার ৪০০ লিটার ভোজ্যতেলের অবৈধ মজুদ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় ওই ব্যবসায়ীকে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাহেরপুরের তেলিপাড়া এলাকা বড়ভাই রফিকুল ইসলামের গুদামে অভিযান চলে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যান রফিকুল ইসলাম। তার গুদামে ৩১ টি ব্যারেলে ৬ হাজার ৩২৪ লিটার তেলের মজুদ পাওয়া যায়।
ইফতে খায়ের আলম আরো জানান, দুই ভাইয়ের গুদামে সবমিলিয়ে ২৬ হাজার ৭২৪ লিটার ভোজ্যতেল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৯ হাজার ২২৪ লিটার সয়াবিন তেল। বাকি ৭ হাজার ৫০০ লিটার সরিষার তেল। বাড়তি মুনাফার আশায় রোজার শুরু থেকেই তেলের মজুদ গড়েছিলেন দুই ভাই। এখন বাজারজাত করতে গিয়ে ধরা পড়লেন।










