রাজশাহীর চারঘাটে দুই ব্যবসায়ীর গুদামে পাওয়া গেছে ৬৬৭ বস্তা সরকারি চাল। নতুন বস্তায় ভরে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব প্রস্তুত করছিলেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার কাঁকড়ামারি বাজারে অভিযান চালিয়ে এ চাল জব্দ করে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে চাল ব্যবসায়ী মোস্তাকিন আলী, তার ছেলে মোবারক হোসেন এবং আরেক চাল ব্যবসায়ী শমশের আলীকে। তারা কাঁকড়ামারি এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, মোস্তাকিন আলীর মালিকানাধীন মেম্বার চাল আড়তে ৩৬০ বস্তা  চাল পাওয়া গেছে। এছাড়া পাশের শমশের আলীর মালিকানাধীন বিলাল খাদ্যভাণ্ডারে পাওয়া গেছে আরো ৩০৭ বস্তা চাল।

পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া চাল সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে সরানো। কিছু চালের বস্তায় সরকারি সিল পাওয়া গেছে। তবে কিছু বস্তা পাল্টে নতুন বস্তায় ভর্তি করেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল সকাল থেকেই এ কাজ চলছিল। খাদ্যগুদাম থেকে চাল বহনে ব্যবহূত বিলালের একটি ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় জেলার বাঘা থানা পুলিশ। অভিযানে সহায়তা দেয় চারঘাট মডেল থানা পুলিশ। অভিযান শেষে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, তাদের কাছে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাঘা খাদ্যগুদাম থেকে সরকারি চাল ট্রাকযোগে চারঘাটে নিয়ে যাওয়ার সংবাদ ছিল।

খবর পেয়ে চারঘাট থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে কাঁকড়ামারি বাজারের অভিযান চালানো হয়। সেখানকার দুই ব্যবসায়ীর গুদামে ২০ টন (৬৬৭ বস্তা) চাল পাওয়া গেছে।

গ্রেফতারের পর  চাল ব্যবসায়ী মোস্তাকিন আলী ও শমশের আলী পুলিশকে জানিয়েছে, তারা বাঘা খাদ্যগুদাম থেকে এ চাল কিনেছেন। এতে সহায়তা করেছেন খাদ্যগুদামের কর্মচারী আব্দুল হালিম। ট্রাকে করে সেই চাল নিজ নিজ আড়তে এনে সরকারি বস্তা পাল্টে অন্য বস্তায় ভর্তি করছিলেন তারা।