দ্বিতীয় দিনের মতো আইনজীবীরা আদালত বর্জন করায় সিরাজগঞ্জ জজকোর্ট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টসহ সব বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা। আন্দোলনকারী আইনজীবীরা জানান, ১৩ জানুয়ারি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্টেনোগ্রাফার ইউসুফ আলীর সঙ্গে অ্যাডভোকেট আবুল কালামের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুজন। পরে উভয় পক্ষ পাল্টামিছিল ও বিক্ষোভ করে। এ ঘটনায় আইনজীবীরা আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন।

গতকাল দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ পান্না বলেন, আইনজীবীকে মারধরের বিচার ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্টেনোগ্রাফার ইউসুফ আলী গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আদালতের কোনো কার্যক্রমে উপস্থিত হবেন না আইনজীবীরা।

 তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে আমরা চার দফা দাবি ঘোষণা করেছি। এ দাবি না মানা হলে আমরা আরো কঠিন কর্মসূচির ঘোষণা দেব।

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্টেনোগ্রাফার ইউসুফ আলীর সঙ্গে অ্যাডভোকেট আবুল কালামের কথা কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এরপর রবিবার সকালে বিভিন্ন অফিস কক্ষসহ সব এজলাসে তালা দেন  ইউসুফ আলীর লোকজন। এরই প্রতিবাদে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা কোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করে আদালত বর্জন করেন। সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করেন তারা।