বরিশাল নগরীতে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে দীপু হালদারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় এয়ারপোর্ট থানাধীন বাঘিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাঠমিস্ত্রি দীপু হালদার ওই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা রমেন্দ্রনাথ হালদারের ছেলে। হামলাকারী মাদকসেবী ডেভিড মিস্ত্রি কুডুকে স্থানীয়রা আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে। তিনি আহতাবস্থায় শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্থানীয় মাসুম আহম্মেদ ও সুশান্ত বিশ্বাস বলেন, বাঘিয়া কালিমাতা মন্দির এলাকার মাদকাসক্ত কুডু মিস্ত্রি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় সুমনের চায়ের দোকানে যান। সেখানে গিয়ে অশ্লীল ভাষায় যাকে-তাকে গালি দেন। এ সময় দীপু হালদার (৪০) তাকে গালি দিতে নিষেধ করেন এবং চায়ের দোকান থেকে চলে যেতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই সময় দীপু হালদারকে কোপানোর হুমকি দেন কুডু। যার জের ধরে রাতে হঠাৎ করেই দীপুকে একা পেয়ে ছুরিকাঘাত করে। পিস্তল ও বোমাসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক : বিদেশী
পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী বাবুল হাওলাদার ওরফে বোমা বাবুলকে আটক করেছে র্যাব-৮-এর সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ভোরে বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত বাবুল ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদি গ্রামের মৃত মোজাফর হাওলাদারের ছেলে।
গতকাল বেলা ১১টায় নগরীর রুপাতলী র্যাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৮-এর উপঅধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন স্থানে যে ককটেলসহ হাতবোমা বিস্ফোরণ হয়েছে, তার বেশির ভাগ বোমা বাবুল সরবরাহ করেছে। দীর্ঘদিন তার গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা তত্পরতা চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটকের সময় বাবুলের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, চার রাউন্ড গুলি, তিনটি তাজা বোমা, বোমা তৈরির ৮০০ গ্রাম গানপাউডারসহ বোমা তৈরির অন্য উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে।










