আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে নানা দাবিতে রাজধানীজুড়ে বিক্ষোভ-সমাবেশ-মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এসব কর্মসূচির একটি বড় অংশ হচ্ছে সচিবালয়কে ঘিরে। গতকাল আন্দোলন ও মানববন্ধনের কারণে দুপুরের পর কার্যত অবরুদ্ধ ছিল সচিবালয়। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ নানা শ্রেণীর মানুষকে।
সরজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে সচিবালয়ের আশপাশে জড়ো হতে থাকেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নিবন্ধনধারীরা। পাশাপাশি পৃথক কর্মসূচিতে জড়ো হন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা। দুপুরের পর তাদের উভয় কর্মসূচিকে ঘিরে সচিবালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। বেলা দেড়টার দিকে সচিবালয়ের সবক’টি প্রবেশদ্বার বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। ২ ঘণ্টার বেশি সময় প্রবেশপথগুলো বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। বেলা সাড়ে ৩টার পর বন্ধ গেটগুলো খুলে দেয়া হয়।
বেলা আড়াইটার দিকে সচিবালয় থেকে বের হন তথ্য ক্যাডারের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘খুবই কষ্ট করে বের হয়েছি।’
এদিন দুপুরে সচিবালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ঐক্য ফোরামের উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় তাদের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষক-কর্মচারীরা বলেন, প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং এমপিওভুক্ত করতে হবে। তারা জানান, চার দফা দাবি না মেনে নিলে তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। দাবি আদায়ের জন্য তারা ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত মো. রাসেল নামে একজন শিক্ষক বলেন, ‘এরই মধ্যে আমাদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ের ভেতরে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চার দফা দাবি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে গেছে।’










