মণিরামপুর সদর ইউনিয়নের সোনাডাঙ্গা গ্রামে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে গত বছরের এপ্রিলে। তিন মাস আগে ঠিকাদার উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে ভবনটি হস্তান্তর করেন। কিন্তু এখানে কাউকে চিকিৎসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি। তাই চালু হয়নি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। স্থানীয়দের দেয়া এক বিঘা জমির ওপর দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।
কেন্দ্রটি চালু হলে বাকোশপোল, যোগীপোল, সোনাডাঙ্গা, দেবীদাসপুর, চাঁদপুর, মাঝিয়ালীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখবে। এসব এলাকার মানুষকে এখন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সেবা নিতে হচ্ছে।
সোনাডাঙ্গা গ্রামের ছাত্র সৌরভ বলেন, ‘হাসপাতাল এহনো চালু হইনি। মাঝেমধ্যে কারা এসে একটু খোলে। আবার তালা মাইরে চইলে যায়।’
বাকোশপোল গ্রামের রাজু আহমেদ বলেন, ‘কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগে। হাসপাতাল চালু হয়নি এখনো। এ হাসপাতাল চালু হলে আমরা কয় গ্রামের মানুষ উপকৃত হতাম।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক (এফডব্লিউভি), একজন
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, আয়া ও পিয়ন নিয়ে চলে ইউনিয়ন পর্যায়ের একটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। মণিরামপুরে ১৭টি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা দপ্তরসহ ১৮টি পদের বিপরীতে এফডব্লিউভি রয়েছেন ১৪ জন। আর উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের ১৬টি পদের বিপরীতে নিয়োগ রয়েছে পাঁচজনের।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘ঠিকাদার কেন্দ্রটির ভবনের কাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন। অডিট করে দেখি ভেতরে কিছু কাজ বাকি। জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরকে জানিয়েছি। মালপত্র ক্রয় করা হয়েছে। করোনার কারণে কাজ বন্ধ ছিল। দু-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রস্তুত হলেও এখনো সেখানে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি।’
যশোর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব জানান, করোনার কারণে কিছু কাজ করা যাচ্ছে না। শিগগিরই করে দেয়া হবে।










