গতকাল সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসার সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি যথাসময়ে সম্পন্ন করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘সম্ভাব্য উদ্বোধনের তারিখ সামনে রেখে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওআরএটি) কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। এ কার্যক্রম শুরু করতে জাপানিজ স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এসডব্লিউজি) আগামী মাসের মধ্যেই দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশের অন্যতম পুরনো ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণেও জাপানি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।’ নির্ধারিত সময়ে টার্মিনালটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে তিনি জাপানের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা আরো জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পসহ চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা-নারিতা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পুনরায় চালু উপলক্ষে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার হাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের একটি প্রতিকৃতি (মডেল) তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।