যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, প্রযুক্তি ভাড়া করে কখনই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হয় না। টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন উদ্ভাবনকৃত বিভিন্ন পণ্যের নিজস্ব বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্ব বা প্যাটেন্ট। এ ধরনের উদ্ভাবন ও গবেষণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ করার আহ্বান জানান তিনি।

গতকাল দুপুরে যবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলার ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে ‘ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া পলিসি’ শীর্ষক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হবে। টেকসই উন্নয়ন করতে হলে অবশ্যই আমাদের নিজস্ব ‘প্যাটেন্ট ডেভেলপ’ করতে হবে। যদি দেশের উন্নয়ন স্থিতিশীল রাখতে হয়, তাহলে নতুন নতুন উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হতে হবে কোনো পণ্যের উদ্ভাবন, প্রক্রিয়াজাত করে তা বাজার পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিরলস গবেষণা ও উদ্ভাবনে নিয়োজিত থাকবেন, যবিপ্রবি প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

মূল প্রবন্ধে ‘দ্য সেন্টার ফর সফিস্টিকেটেড ইন্সট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড রিসার্চ ল্যাবরেটরির (সিএসআরআইএল)’ উপপরিচালক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া পলিসির খসড়া নীতিমালা নিয়ে কথা বলেন। কীভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবন ও প্যাটেন্ট তৈরির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বিভাগ, গবেষণাগার লাভবান হবে সেটা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন গবেষণাগার ও বিভাগ তাদের পরীক্ষাগারে পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কনসালট্যান্সিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে পারেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করেন।