১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ মাথায় নিয়ে ২০ বছর আত্মগোপনে ছিলেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার আব্দুস সাত্তার (৬৫)। কিন্তু শেষ রক্ষা হলোনা। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের ঘুঘুডিমা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আব্দুস সাত্তার তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়নের কিসমত বিল্লী এলাকার বাসিন্দা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ শনিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের জানায়, তিনি ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ সালের ৯ মার্চ তানোর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা হয়। মামলা নম্বর-৮। পরে আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা।

দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারায় অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় এ মামলায় তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন রাজশাহীর দায়রা জজ আদালত। সেই সঙ্গে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড হয় তার।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেয়ের বাড়ি থেকে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেফতার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। 

তিনি বলেন, আদালতে কারাদণ্ড হওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান আব্দুস সাত্তার। সীমানা পেরিয়ে ভারতের মুর্শিদাবাদে চলে যান তিনি। সেখানে গিয়ে শ্রমিকের কাজ করতেন। মাঝেমধ্যে মেয়ের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে আসতেন তিনি। কিন্তু নিজ এলাকায় ফেরেননি ২০ বছরে। শুক্রবার দিবাগত রাতে মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করেছে, এমন তথ্য নিশ্চিত হয় পুলিশ। ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে মেয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।