কোটা আন্দোলনের পক্ষে বিক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশীদের জন্য সাময়িকভাবে ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি বা বিবৃতি না দিলেও সিস্টেমে যেখানে বাংলাদেশীদের ভিসা সাবমিট করা হয়, সেটি ব্লক করে দেয় দেশটির সরকার। বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি। ১৯ জুলাই আমিরাতে বিক্ষোভের পর ২৪ জুলাই পর্যন্ত এমপ্লয়মেন্ট ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজ ভিসা ইস্যুর ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকতা।
গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা সেন্টারটি বন্ধ থাকতে দেখা যায়। এছাড়া ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে পাঁচজন ভিসাপ্রার্থীকে ফিরে যেতে দেখা গেছে। জানা গেছে, ২০ জুলাই কারফিউর প্রথম দিন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত ভিসা সেন্টারটির কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গতকাল অফিস খুললেও কোনো ধরনের ভিসা ইস্যু করা হয়নি। আজ ভিসা সেন্টারটির কার্যক্রম শুরু হতে পারে। তবে বাংলাদেশ থেকে এমপ্লয়মেন্ট কিংবা ভিজিট ভিসা ইস্যু হবে কিনা সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে জানান, কারফিউর প্রথম দিন থেকে ভিসা সেন্টার বন্ধ ছিল। গতকাল অফিস খুললেও শুধু অফিসের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম চালু ছিলে। গতকাল পর্যন্ত সব ধরনের ভিসা ইস্যু বন্ধ ছিল। তবে আজ ভিসা ইস্যুর ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে।
এর আগে ২৪ জুলাই রাত ৯টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল (দুবাই অ্যান্ড নর্দার্ন আমিরাতস) বিএম জামাল হোসেনের সঙ্গে বণিক বার্তা থেকে যোগাযোগ করা হলে ওইদিন পর্যন্ত ভিসা বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা ইস্যু হচ্ছে না। অর্থাৎ যে সিস্টেমে বাংলাদেশীদের ভিসা পোস্ট করা হয়, সাবমিট করা হয় সেটি ব্লক হয়ে গেছে। এটি সাময়িক ব্যবস্থা নাকি দীর্ঘদিনের জন্য, এটি আমরা জানি না। কারণ হচ্ছে এখানে ভিসা বন্ধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নোটিফিকেশন বা সার্কুলার দেয়া হয় না। এটি শুধু সিস্টেম থেকে ব্লক করে দেয়া হয়। সেভাবেই ব্লক করে দেয়া হয়েছে। ২৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার পর এমপ্লয়মেন্ট বা কর্মী ভিসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে ভিজিট ভিসা বন্ধ রয়েছে।’










