প্রবল ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলে গত রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল হওয়ায় পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় দানা পূর্বমধ্য ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিমমধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালী ও কুয়াকাটা এলাকায় সারারাত গুঁড়িগুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং নদ-নদীর পানির উচ্চতা কিছুটা বেড়েছে। কুয়াকাটার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় বড় ঢেউ আছড়ে পড়তে দেখা গেছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ঘূর্ণিঝড় দানা আজ বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য পায়রা, চট্টগ্রাম এবং মংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং সকল মাছ ধরার ট্রলার ও নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৮২৯টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক দল এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম জানান, মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে সব ট্রলার এমনিতেই কিনারে রয়েছে। তাই ট্রলারগুলো এখন নিরাপদে আছে।










