সম্প্রতি দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনা সংক্রমণ রোধে নতুন করে আরো তিনটি সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সভা কক্ষে করোনা প্রতিরোধ কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভার
নেয়া
সিদ্ধান্তগুলো হলো, আমদানিকারক সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট ও
বন্দরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বন্দরে ঢোকা ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে সকলকে
স্যানিটাইজড করা। এজন্য বন্দরের প্রবেশপথে জীবানুনাশক টানেল স্থাপন করা হবে।
বন্দরে
পণ্য নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাক চালকদের সাময়িক অবস্থানের জন্য অস্থায়ী শেড নির্মাণ
করা। ট্রাক রেখে নিরাপত্তা কর্মী প্রহরায় ওই স্থানে অবস্থান করবেন চালকরা। ট্রাকের
মালামাল খালাস হলে তারা পুনরায় ট্রাক নিয়ে ভারতে চলে যাবেন।
এছাড়াও
হিলি স্থলবন্দরের চেকপোষ্ট গেট থেকে শুরু করে বন্দরের গেট পর্যন্ত এই সড়কে পুলিশি
টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে,
যাতে করে ভারত থেকে আসা কোন চালক ট্রাক
থামিয়ে স্থানীয় কোন দোকান থেকে পণ্য কিনতে না পারে।
এ
বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ আলম বলেন, পূর্বের গৃহীত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি নতুন করে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যত দ্রুত
সম্ভব এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।
সভায়
আরো উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশীদ, পৌরমেয়র
জামিল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক
মেডিকেল অফিসার ডা. গাদ্দাফি শিকদার, হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক
মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলা হিলি কাস্টমস সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট
আ্যসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আজিজ প্রমুখ।










