বিশখালী নদীর আকস্মিক ভাঙনে ঝালকাঠি সদর উপজেলার দেউরি সাইক্লোন শেল্টার কাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণীকক্ষ ও একটি মসজিদ বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙনের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করতে গিয়ে ছাদ ভেঙে পড়ে এক শিক্ষার্থী নদীতে নিখোঁজ হয়েছে।
স্থানীয় আফসার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থীর নাম নেয়ামতুল্লা।
সে পশ্চিম দেউরি গ্রামের আব্দুল বারেক হাওলাদারের ছেলে।
গতকাল দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার পর বরিশাল থেকে ফায়ারসার্ভিসের ডুবুরি দল এসে নদীতে তল্লাশী চালিয়েও সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীর সন্ধান পায়নি।
স্থানীয়রা জানায়, বিশখালী নদীপাড়ে ভাঙনের মুখে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মাণ করা হয়।
বেজমেন্টে মাটি সরে যাওয়ায় এটি এখন শুধু পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
গতকাল দুপুরে সাইক্লোন শেল্টারটি ভেঙে পড়ার সময় শিক্ষার্থী নেয়ামতুল্লাহ মোবাইল ফোনে সে দৃশ্য ধারণ করছিল।
এ সময় উপরের ছাদ ভেঙে নেয়ামতুল্লার মাথায় চাপা পড়ে নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে।
স্থানীদের অভিযোগ, ভবনের বাকি অংশ যেকোনো মুহূর্তে নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এতে বিদ্যালয়টির প্রায় তিনশত ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
অন্যদিকে ঝড়-বন্যায় পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের আশ্রয়ের কোনো স্থান থাকবে না।
পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীশাসনের কথা বললেও বাস্তবে তা করা হয়নি।
ঘটনার পরপরই ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেকুন্নাহারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।









