বরিশালের হিজলা উপজেলায় কোর্ট ভবনটি নির্মাণ করা হয় আশির দশকে। পুরনো ভবনটি এখন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে বিকল্প না থাকায় এ ভবনেই পরিচালিত হচ্ছে চার সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম। উপজেলা প্রশাসন বলছে, ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আশির দশকের দিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে ভবনটি নির্মিত হয়। এক তলাবিশিষ্ট এ ভবনের মেয়াদ শেষ হয়েছে বেশ আগে। এ কারণে ভবনটির পলেস্তারা খসে পড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে ভবনটিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা, আনসার-ভিডিপি, পরিসংখ্যান ও ভূমি জরিপের কার্যালয় রয়েছে। পলেস্তারা খসে একাধিকবার এসব দপ্তরের কর্মীরা আহত হয়েছেন। জরাজীর্ণ হয়ে মূল ফটক অরক্ষিত হয়ে পড়ায় সন্ধ্যায় ভবনটিতে মাদকসেবীরা ভিড় করেন।

হিজলার উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা সীমা ইয়াসমিন বলেন, উপজেলার আর কোথাও অফিস করার মতো রুম নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে অফিস করতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মাঝেমধ্যেই পলেস্তারা খসে মাথায় পড়ার ঘটনা ঘটে। তার পরও কিছুই করার নেই। আমরা আলাদা নতুন ভবনের জন্য আবেদন করেছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেন, উপজেলায় কোথায় অফিস করার মতো জায়গা নেই। তাই ঝুঁকি নিয়ে এখানে অফিস করছি। কয়েক বার ছাদের প্লাস্টার ভেঙে আমার গায়েও পড়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, জরাজীর্ণ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করার জন্য আমরা উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তবে এটা বেশ জটিল কাজ। তাছাড়া ভবনটি গণপূর্তের। ভবনটি পরিত্যক্ত করে ভেঙে ফেলতে পারলে সেখানে নতুন করে ভবন তৈরি করা যাবে। তখন কোনো দপ্তরের জায়গার সংকট থাকবে না।