কোনো অসাধু ব্যক্তি যাতে সার অপচয় বা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশে কয়েক ধরনের সারের দাম বেশি হওয়ায় সীমান্ত দিয়ে পাচারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) অনুরোধ করা হয়েছে।

গতকাল রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকো পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘‌দেশে ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই। বছরে প্রায় ২৫-২৭ লাখ টন ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে। এ সারের সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার বেশি ভর্তুকি দিয়ে সরবরাহ করে এমন সারের মধ্যে দু-এক ধরনের সারের চাহিদা কিছু এলাকায় বেশি থাকায় সাময়িক সংকট দেখা দিচ্ছে।’

এর আগে মহানগরীর দামকুড়া থানার হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচু বাগানে বস্তায় আদা চাষের প্রযুক্তি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান, রাজশাহীর উপপরিচালক মো. মোস্তফা কামাল, পবার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদি হাসান এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।