নাটোরের সিংড়ায় মানহীন ভেজাল বীজ উৎপাদনের খবর প্রকাশের পর তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রধান বীজতত্ত্ববিদ ড. মো. আকতার হোসেন খানকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
এদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান বীজতত্ত্ববিদ ড. মো. আকতার হোসেন খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মেসার্স কৃষক ভাই বীজভাণ্ডার পরিদর্শন করেন।
এ সময় একই ব্যক্তির নামে তিনটি লাইসেন্স, প্যাকেটের সঙ্গে লাইসেন্স নম্বরের গরমিল, মানঘোষিত বীজের জায়গায় ভিত্তিবীজ উৎপাদনসহ বিভিন্ন অনিয়ম দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাছাড়া কারখানা থেকে সব বীজ রাতারাতি গায়েব হওয়ায় উৎপাদিত বীজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তদন্ত কমিটি।
এ সময় কমিটির অন্য সদস্য বগুড়ার বীজ প্রত্যয়ন অফিসার গাজীউল হক, সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রধান বীজতত্ত্ববিদ ড. মো. আকতার হোসেন খান বলেন, বণিক বার্তায় খবর প্রকাশের পর কৃষি মন্ত্রণালয় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটিই তাদের তদন্তকাজ শুরু করেছে। তবে কৃষক ভাই বীজভাণ্ডার যেভাবে বীজ উৎপাদন করছে, সেটার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আমরা তদন্ত শেষ করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করব।
উল্লেখ্য, ৩ নভেম্বর সিংড়ার আটটি কারখানায় ভেজাল বীজ উৎপাদন, প্রতারিত হচ্ছেন কৃষকরা’
শিরোনামে একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের পরের দিনই মানহীন বীজ উৎপাদন, একই ব্যক্তি তিনটি বীজ উৎপাদনের লাইসেন্স গ্রহণ, গ্রেডিং এবং আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র, লাইসেন্স এবং প্যাকেটের গায়ে লাইসেন্স নম্বর না মেলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে কৃষক ভাই বীজভাণ্ডারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন বানু।










