ঘুষ কিংবা তদবির বাণিজ্যে নয়, সম্পূর্ণ দক্ষ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি মিলবে বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, ওমুক আমার বড় ভাই, তোমুক বড় সাহেব আমার আত্মীয় বলে চাকরি পাইয়ে দিতে টাকা চাওয়া দালাল-প্রতারকদের পুলিশে ধরিয়ে দিন। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এ নিয়োগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হবে। কোনোভাবেই অর্থ ও তদবির কাজে আসবে না।
আজ সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ লাইন্সের সামনে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদপ্রার্থীদের অপেক্ষমান অভিভাবকদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন এসপি কামরুজ্জামান। এসময় নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়া কমিটির সদস্যরা লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে উপস্থিত ছিলেন।
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পুলিশের আইজিপির সরাসরি তথ্যাবধানে কনস্টেবল পদে লোকবল নিয়োগ প্রক্রিয়ার কার্যক্রম চলছে। এর ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপুরেও স্বচ্ছভাবে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। দক্ষ এবং যোগ্য প্রার্থীরা যেন পুলিশের সার্ভিসে আসতে পারে, সেটাই আমরা নিশ্চিত করবো।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, ১০০ টাকায় মিলবে পুলিশে চাকরি- এ সত্যতা বাস্তবায়নে গত বছরও দক্ষ ও যোগ্যদের পুলিশ বিভাগে চাকরি হয়েছে। এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতকাল রোববার দিনব্যাপী লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে কনস্টেবল (টিআরসি) পদ প্রার্থীদের শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ সম্পন্ন হয়েছে। আজ দ্বিতীয় দিন দৌঁড় ও শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষা চলছে। আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত মোট তিন ধাপে মাঠের যাচাই-বাছাই করার পর নিয়োগের পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন শেষ হবে বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে সারা দেশের মতো লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে ৪৮টি শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেয়া হবে। এরমধ্যে ৪১ জন পুরুষ এবং বাকি ৭টি শূন্য পদে নারী পুলিশ সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। তাই দালালের খপ্পরে পড়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান পুলিশ সুপার। তিনি আরো বলেন, চাকরি নয়, সেবা- এ স্লোগানকে বুকে ধারণ করে পুলিশ বিভাগে এসেছি। বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম ধরে রাখতে চাকরির শেষ দিন পর্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন এ কর্মকর্তা।










