পুরান ঢাকার জলাবদ্ধতা, যানজট, গ্যাস সংকট ও মাদক নির্মূলের অঙ্গীকার করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ইশরাক হোসেন। সংসদীয় এলাকা ঢাকা-৬ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।
পুরান ঢাকার বলধা গার্ডেন এলাকায় গতকাল নিজ ক্যাম্পে নির্বাচনী ভাবনা, এলাকার সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘পুরান ঢাকার প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে ঢাকা-৬ আসন। এখানে দীর্ঘদিনের পুরনো অবকাঠামো ও নানাবিধ নাগরিক সমস্যা রয়েছে। নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানই হবে আমার অগ্রাধিকার।’
স্থানীয় পাইপলাইন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে যেখানে গ্যাসের চাপ কম, সেখানে স্বাভাবিক চাপ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘অনেক এলাকায় ৭০ বছরের পুরনো পাইপলাইন এখনো ব্যবহার হচ্ছে। অথচ বহুতল ভবন নির্মাণ বাড়লেও ইউটিলিটি অবকাঠামো সে অনুযায়ী উন্নত হয়নি। আমরা এটাকে ১ নম্বর প্রায়োরিটি হিসেবে রাখছি।’
পুরান ঢাকায় যানজটের সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি তিন ধাপের পরিকল্পনার কথা জানান ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘স্বল্পমেয়াদির মধ্যে থাকবে, যেগুলো আমরা এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে পারব। সেটা হলো অন-রোড পার্কিং। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, গণপরিবহনগুলা পার্কিং করে ৫০-৬০ ভাগ পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ করে রাখে। নির্দিষ্ট স্থানে গণপরিবহন ও অন্যান্য যানবাহনের পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে আমরা এটার সমাধান করতে চাই। পাশাপাশি ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। মধ্যমেয়াদে যেখানে সম্ভব সড়ক প্রশস্ত করা ও বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে পুরোপুরি গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং মেট্রোরেল, মনোরেল বা সাবওয়ের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি আমি আমার জায়গা থেকে জাতীয় সংসদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরব।’
দীর্ঘদিন ধরে পুরান ঢাকা অবহেলিত ছিল উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন জানান, বিগত টার্মে যিনি মেয়র ছিলেন, তার এ এলাকা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ছিল না। আগে যারা এমপি ছিলেন, তাদের এলাকার মানুষ একদিনের জন্যও কাছে পায়নি। এমনকি ঈদের দিনেও তারা সংসদীয় এলাকায় নামাজ পড়তে আসেননি।














