চট্টগ্রামের মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১০ বছর আজ। সেই হূদয়স্পর্শী ঘটনা আজও মিরসরাইবাসীর মনকে ব্যথিত করে তোলে। এ ঘটনার ১০ বছর হয়ে গেলেও স্মৃতি যেন এতটুকু পরিমাণ মুছে যায়নি। ১১ গ্রামের স্বজনহারা শোকার্ত মানুষের কান্নাও থামেনি। প্রতি বছর মিরসরাই ট্র্যাজেডি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। কিন্তু এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সংক্ষিপ্তভাবে কর্মসূচি পালন করা হবে।
উপজেলার মায়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির নিজামী জানান, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চলতি বছর সংক্ষিপ্ত আকারে মিরসরাই ট্র্যাজেডির কর্মসূচি পালন করা হবে। এর মধ্যে আজ সকালে নিহতদের স্মরণে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী প্রার্থনা, পরে নিহত ছাত্রদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ ‘আবেগ’
ও ‘অন্তিম’-এর স্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১১ জুলাই মিরসরাই স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে একটি মিনি ট্রাকে করে বিজয়ী ও বিজিত উভয় দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা আবুতোরাব এলাকায় যাচ্ছিল। বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কের সৈদালী এলাকায় ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ডোবায় উল্টে যায় মিনি ট্রাকটি। ডোবার জল থেকে একে একে উঠে আসে মরদেহ। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর রাত ৯টায় নয়ন শীলের প্রয়াণ পর্যন্ত ৪৫টি মৃত্যু গুনতে হয় এলাকাবাসীকে। সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নিহত হয় আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪ শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়।









