কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা ও কারফিউর প্রভাব পড়েছে পাহাড়ের পর্যটন শিল্পে। রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালিসহ তিন পার্বত্য জেলার ছোট-বড় পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সবই এখন পর্যটকশূন্য। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় এলাকাগুলোয় আটকে পড়া পর্যটকরাও এরই মধ্যে গন্তব্যে ফিরে গেছে। এক সপ্তাহ ধরে চলমান এ পরিস্থিতিতে পর্যটক-খরায় পড়েছেন উদ্যোক্তারা।
পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের ওপর দেশের চলমান পরিস্থিতির প্রভাব রয়েছে বলে মনে করেন রাঙ্গামাটির কটেজ মালিকরা। তারা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে পাহাড়ের পর্যটন খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। রাঙ্গামাটির পাশাপাশি অন্য দুই পার্বত্য জেলার পর্যটন খাতের অবস্থাও একই বলে জানিয়েছেন সেখানকার উদ্যোক্তারা।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সহকারী সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেকে ব্যবসার পরিস্থিতি ভালো নয়। সাজেক ভ্যালি পর্যটকশূন্য গত শুক্রবার থেকেই। এ এলাকার ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে বাড়িতে চলে গেছেন। রিসোর্ট ও কটেজগুলোতেও দু-একজন ছাড়া কর্মীর উপস্থিতি নেই। মোবাইল নেটওয়ার্কও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না।
একই চিত্র রাঙ্গামাটির অন্য হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোয়ও। জেলা পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘গত রোববার পর্যন্ত রিসোর্টগুলোয় কিছু পর্যটক ছিল। সোমবার সকালে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে কারফিউ পাস নিয়ে ফিরে গেছে। কয়েকদিনে ক্ষতির পরিমাণ এখনই ধারণা করা যাচ্ছে না। মাস শেষে হিসাব করলে এ বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।’
রাঙ্গামাটির ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সহসভাপতি ও পর্যটন বোট ঘাটের ব্যবস্থাপক রমজান আলী বলেন, ‘পর্যটকের অভাবে সবকিছু বন্ধ। বোটচালকরাও অলস সময় কাটাচ্ছেন।’
রাঙ্গামাটি জেলা আবাসিক হোটেল-মোটেল বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈন উদ্দীন বলেন, ‘সারা দেশে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পর্যটন খাত থমকে গেছে।’










