নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাব কমে যাওয়ার পর থেকে বগুড়ার প্রাথমিক স্কুলগুলোয় শিক্ষার্থী উপস্থিতি সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। শিক্ষার্থী বাড়লেও তিন শতাধিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠ কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এতে পিছিয়ে পড়ছে স্কুলগামীরা।
আজ শুক্রবার বগুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তহমিনা খাতুনও প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, জেলায় ১ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী প্রায় ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৬৬ জন। বগুড়া সদর উপজেলায় মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১২৩টি। শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩২ হজার ১৩২।
শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিতি সংখ্যা ভলো ছিল। গড়ে প্রতিদিন ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল। আবার কোনো কোনো দিন ৯৬ শতাংশ উপস্থিতি ছিল। করোনার কারণে স্কুলে উপস্থিতি সংখ্যা কমতে শুরু করে। ২০২১ নভেম্বরে বগুড়া জেলায় স্কুলে উপস্থিতির সংখ্যা বেড়ে ৮৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়। এরপর থেকে স্কুলে উপস্থিতি সংখ্যা বাড়ছে।
সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন বলেন, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণে সংশ্লিষ্ট বিভাগে চিঠি দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন শিক্ষক পদন্নোতির অপেক্ষায় আছেন। তা হয়ে গেলে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের সংকট কেটে যাবে।
বগুড়ার ৩০০ প্রাথমিক স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক
নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাব কমে যাওয়ার পর থেকে বগুড়ার প্রাথমিক স্কুলগুলোয় শিক্ষার্থী উপস্থিতি সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। শিক্ষার্থী বাড়লেও তিন শতাধিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠ কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এতে পিছিয়ে পড়ছে স্কুলগামীরা।










