যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়জনকে আসামি করে গতকাল আদালতে মামলা করা হয়েছে। সদরের বাহাদুরপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া ইয়াসমিন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম পিবিআইকে ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন যশোর সদরের হালসা গ্রামের আবু মুছা ও তার ছেলে বিপ্লব হোসেন, স্ত্রী নুর নাহার বেগম, মেয়ে নওশিন শারমিলি বিভা, শহরের পুলিশ লাইনস পাওয়ার হাউজপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে ফারুক হাসান হাওলাদার এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি বিপ্লব হোসেন যবিপ্রবির সেকশন অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার সঙ্গে সুরাইয়া ইয়াসমিনের পরিচয় হওয়ার পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আসামি বিপ্লব তার সরলতার সুযোগে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে তার সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতো জীবনযাপন করতে থাকেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বিপ্লব চাকরি বাঁচানোর জন্য ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর নানা অজুহাতে ইয়াসমিনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বিপ্লব। এর মধ্যে ইয়াসমিন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি আসামি বিপ্লব মেনে নিতে না পেরে কৌশলে তার স্ত্রীকে ওষুধ সেবনে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলেন। এ ঘটনা নিয়ে আদালতে মামলা করেন ইয়াসমিন।