কোটা
সংস্কার আন্দোলন ঘিরে হাজারো তরুণ
ও রাজনৈতিক বিরোধীদের গণগ্রেফতারের খবরে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ মহাসচিব।
সোমবার (২৯ জুলাই) জাতিসংঘ মহাসচিবের
দেয়া এক বিবৃতিতে এ
কথা বলা হয়। মহাসচিবের
মুখপাত্রের কার্যালয়ে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতিটি পড়ে
শোনানো হয়।
বিবৃতিতে
বলা হয়, বাংলাদেশ পরিস্থিতি
নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সোমবার দেশটিতে নতুন করে শিক্ষার্থী
বিক্ষোভ শুরুর ঘটনা তিনি অবগত। তিনি সবাইকে শান্ত
ও সংযত থাকার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত
করেছেন। শিক্ষার্থী আন্দোলন ঘিরে হাজারো তরুণ
ও রাজনৈতিক বিরোধীদের গণগ্রেফতারের খবরে তিনি উদ্বিগ্ন।
ব্রিফিংয়ে
বলা হয়, জাতিসংঘ মহাসচিব
যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের
অধিকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের
বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের খবরেও তিনি উদ্বিগ্ন। সহিংসতার
সব ঘটনা অবিলম্বে স্বচ্ছ-নিরপেক্ষভাবে তদন্তসহ দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির
আওতায় আনতে তিনি নিজের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
জাতিসংঘ
মহাসচিবের ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়,
বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা ও
নিউইয়র্ক উভয় স্থানে সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের কাছে উদ্বেগ জানানো
অব্যাহত রাখবে সংস্থাটি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে
শীর্ষস্থানীয় দেশ হিসেবে তারা
বাংলাদেশকে মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তা সমুন্নত
রাখার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন।
বলা
হয়, জাতিসংঘের লোগো-সংবলিত যানবাহন
আর বাংলাদেশে মোতায়েন করা হবে না
বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘকে জানিয়েছে। তারা বিষয়টি আবার
মনে করিয়ে দিচ্ছে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নির্ধারিত দায়িত্ব পালনকালেই শুধু বিশ্ব সংস্থাটির
লোগো–সংবলিত যানবাহন ব্যবহার করবে সেনা-পুলিশ
পাঠানো দেশগুলো।










