ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতি বছরই বাড়ছে আউশ ধানের আবাদ। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে কৃষক বাড়তি ফসল হিসাবে আউশের আবাদ করছেন। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫০ হাজার ৮৬০ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে কৃষি বিভাগের। জ্যৈষ্ঠের শুরুতে রোপণ করা মধ্যবর্তী এ ফসল শ্রাবণের শেষে কৃষক ঘরে তুলবেন।

চাষীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত মাঠের অবস্থা ভালো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আশানুরূপ ফলন হবে। কানিপ্রতি ৪-৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি কানিতে ১৪-১৫ মণ ধান পাওয়া যাবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ১৫ হেক্টর বেশি জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ১৭ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। তবে আবাদ হয়েছে ১৭ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমিতে। জেলা সদর, নবীনগর ও নাসিরনগর উপজেলায় আউশের আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশি। জেলায় ব্রি-৪২, ৪৩ ও ৪৮ এবং বিনা-১৯ ও ২১ ছাড়াও নতুন জাতের সম্প্রসারণের ফলে আউশ আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুশান্ত সাহা জানান, পরিত্যক্ত জমিতে কৃষককে আউশ আবাদে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫০ হাজার ৮৬০ টন আউশ উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।