ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ ও জমি রক্ষার দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের হেসামদ্দি গ্রাম ও নুনগলা নদী তীরের বাসিন্দারা। গত বুধবার এ অভিযোগ দেন তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নদী ভাঙনে ওই এলাকার অসংখ্য মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি একাধিকবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এরপর কয়েক বছর ধরে ওই এলাকায় নতুন চর সৃষ্টি হলে সেখানে ক্ষতিগ্রস্তরা কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু প্রায় ২০ দিন ধরে ওই চর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করছেন।

এতে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাধা দিলে বালি উত্তোলনকারীরা গ্রামবাসীর ওপর হামলাসহ জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত এলাকাবাসী। এভাবে বালি উত্তোলন করলে আবারো ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা।

বিষয়টি তারা মেহেন্দীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বারবার অবগত করেও কোনো প্রতিকার পাননি। বাধ্য হয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ ও ফসলি জমি সংরক্ষণের দাবিতে বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেহেন্দীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুননবী জানান, বিষয়টি একজন ফোন করে জানিয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই আমরা অভিযান পরিচালনা করে ড্রেজার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জনগণের ক্ষতির কারণ এসব ড্রেজার ও মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।