বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আবারো বিবাদে জড়ালেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। ভোট দিতে গতকাল সকালে বরিশাল জিলা স্কুল কেন্দ্রের ভোটকক্ষে প্রবেশকালে দায়িত্বরত ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে তিনি বিবাদে জড়ান। এ সময় মেয়রের সঙ্গে বেশ কয়েকজন ভোটারও ছিলেন। সে ঘটনা মেয়রের ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় শুরু হয় তোলপাড়।
বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যানার অপসারণ নিয়ে গত বছরের ১৮ আগস্ট রাতে তত্কালীন ইউএনও মুনিবুর রহমানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিলেন মেয়র সাদিক ও তার অনুসারীরা। এ সময় তার অনুসারীরা ইউএনওর বাসায় ঢুকে হামলা ও ভাংচুর করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
মেয়রের ফেসবুক পেজে করা গতকালের লাইভ থেকে দেখা যায়, সকাল ৯টার দিকে ভোট দিতে জিলা স্কুল কেন্দ্রে যান সাদিক আব্দুল্লাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর হোসাইন, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নইমুল হোসেন লিটু, রফিকুল ইসলাম খোকন, ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহম্মেদ মান্না ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনিসহ বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি।
ভোটকক্ষের সামনে পৌঁছলে বরিশাল সদর উপজেলা ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানও মেয়রকে এ বিষয়ে অনুরোধ জানান। মেয়র সাদিক তখন ইউএনওকে বলেন, ‘আমি কি ঢুকছি এখানে? আপনি কে? আমি কি ঢুকছি? তার পরও আপনি কথা বলতেছেন। আমি কি শিশু? স্টুপিডের মতো কথা বলেন। যেভাবে ভাবটা করেন, তাতে বোঝা যায় দল বাঁইধা ঢুকতেছি। ভোটার হইছে ১৭৪ জন। তাহলে সমস্যা কোথায়?’









