কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন জেলা স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হবে আজ। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শোভা পাচ্ছে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ছবিসংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পরীক্ষিত নতুন নেতৃত্ব পাবে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ।
এদিকে কুড়িগ্রামের নয় উপজেলার মধ্যে তিনটিতে সম্মেলন শেষ করতে পেরেছে জেলা আওয়ামী লীগ। এ অবস্থায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেলা সম্মেলন। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। সম্মেলনে আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন নতুন নেতৃত্ব।
জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ হাসান লোবান বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে সিদ্ধান্তে সবাই ঐকমত্য পোষণ করবে। দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা যাব না।
এদিকে তিন বছর পরপর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেলা সম্মেলন। তবে নতুন নেতৃত্বের দাবিদাররা বলছেন, নির্বাচিত হলে তিন বছর পরপর সম্মেলনের ব্যবস্থা করবেন তারা।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন বলেন, সম্মেলন মানেই নেতৃত্ব তৈরির একটি সুযোগ। নেতৃত্ব পাওয়া নতুন নেতারাই দলের আগামী দিনের পথ রচনা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত পরিচ্ছন্ন ও যোগ্যতম নেতৃত্ব সৃষ্টি করা। এজন্য আমি মনে করি, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব যোগ্য নেতার হাতে তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা তার সিদ্ধান্ত পালন করব। কারণ আমাদের সবার একটি উদ্দেশ্য—জনগণের সেবা করা।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলনে সভাপতি পদে আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. জাফর আলী নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর কুড়িগ্রামে সম্মেলন দেয়নি আওয়ামী লীগ।









