এর মধ্যে সুদ ১১ কোটি ও আসল ৩৪ কোটি ডলার, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। ওই মাসে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পরিশোধ করেছিল সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার।
গতকাল অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। জুলাইয়ে পরিশোধের পরিমাণ বাড়লেও কমেছে অর্থছাড়। ওই মাসে অর্থছাড় হয়েছে মাত্র ১৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ নতুন ঋণের চেয়ে দ্বিগুণ পরিশোধ করতে হয়েছে সরকারকে। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণের ছাড় হয়েছিল ২০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। ফলে চলতি জুলাইয়ে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম অর্থছাড় হয়েছে। এ সময়ে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি এসেছে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। যেখানে ২০২৫-এর জুলাইয়ে প্রতিশ্রুতি ছিল ৮ কোটি ডলারের বেশি।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ঋণদাতা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), জাপান, রাশিয়া, চীন ও ভারত থেকে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি আসেনি।
১ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি এসেছে অন্যান্য সংস্থা থেকে। এমনকি এআইআইবি, চীন ও রাশিয়া কোনো অর্থছাড় করেনি।
জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি অর্থছাড় করেছে এডিবি। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটি ৬ কোটি ৫৪ লাখ ডলার ঋণের অর্থছাড় করেছে। এছাড়া আইডিএ ৪ কোটি ৭৫ লাখ, জাপান ৩ কোটি ৮৬ লাখ ও ভারত ২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার ছাড় করেছে।










