ফরিদপুরের সালথা থানা ও উপজেলা পরিষদের কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি ভবনে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। লকডাউন চলাকালে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন উপজেলা এসি ল্যান্ডের সহকারী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয়রা এ ভাংচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় জুবায়ের নামে এক যুবক নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয় তিনজন। আহত হয়েছে আরো অর্ধশতাধিক। গুলিবিদ্ধ আমির, মিরান ও মামুনকে ঢাকা ও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, সোমবার বিকালে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ওই ইউনিয়নের নটাখোলা গ্রামের মৃত মোসলেম মোল্যার ছেলে মো. জাকির হোসেন মোল্যা। এ সময় বাজারে লকডাউন পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান এসি ল্যান্ড মারুফা সুলতানা খান হিরামনি।

জাকির হোসেন জানান, কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়ি থেকে নেমে এসি ল্যান্ডের এক সহকারী তাকে মারধর করে। এতে তার কোমর ভেঙে যায়।

এদিকে এ ঘটনার পর পরই উত্তেজিত হয়ে পড়ে স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা জড়ো হতে থাকলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেখানে সালথা থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ উপস্থিত হয়। উত্তেজিত জনগণ পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, স্থানীয়রা উপজেলা পরিষদ, থানা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনসহ বিভিন্ন অফিস ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পুলিশ ও র্যাবের আটজন সদস্য আহত হয় বলেও তিনি জানান।