বগুড়ার শিবগঞ্জ ও ধুনট উপজেলায় ধান-চালের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অবৈধভাবে ধান মজুদ রাখায় ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ বুধবার দুই উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্ব এ অভিযান পরিচালিত হয়।
শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে উপজেলার মরাগারিয়া বন্দরে ফজলুর রহমানের গোডাউন, জামুর হাট বাজারের রিজু ট্রেডার্স, নূর মোহাম্মাদ ট্রেডার্স, বিহার ইউনিয়নের সিঙ্গাগাড়ী তাহেরুল ইসলামের গোডাউন, বুড়িগঞ্জ এলাকার সাহা চাল কল, রাজিব এন্ড ব্রাদার্স অটো রাইস মিল, সুমন অ্যান্ড নিরব অটো রাইস মিল এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে নুর ট্রেডার্স, রিজু ট্রেডার্স, ফজুলর রহমান তাহেরুল ইসলাম চাল ও ধান অবৈধভাবে গোডাউনে মজুদ রেখে চালের বাজার কৃত্রিম ভাবে বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টায় ও ফুড লাইসেন্স না থাকায় ৪টি প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে কুলসুম সম্পা।
অভিযান চলাকালে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবুল বাশার, জেলা চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আমিনুল হক দুদুসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও চাল মজুদ ও কেনা-বেচা করায় ৪টি প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
এদিকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বগুড়ার ধুনট উপজেলায় পাইকারি চালের আড়ত ও খুচরা চাল বাজারে এই অভিযান চালানো হয়। এসময় মিল গেট, চালের বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা বাজার ঘুরে ঘুরে দাম যাচাই করেন ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত । এ সময় অনিবন্ধিত মেসার্স বর্ণ ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে চাল মজুদ রাখার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা নুরে আলম ও গণমাধ্যম কর্মী সহ স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে










