সংযুক্ত আরব আমিরাতের ড্রোন শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ক্রয়াদেশ বেড়ে গেছে। এ কারণে নতুন কর্মী নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে প্রতিষ্ঠানগুলো। পাশাপাশি বাড়ছে কর্মীদের বেতন। এ তথ্য উঠে এসেছে ইকোনমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাণিজ্যিকভাবে ড্রোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে ক্রয়াদেশ বেড়েছে। ড্রোনের ব্যবহার বিস্তৃত হয়েছে কৃষি, অবকাঠামো, পরিবহন ও বিনোদন পর্যন্ত। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে সফটওয়্যার, প্রকৌশলী, পাইলট, অপারেটর, ভিডিওগ্রাফার ও এডিটর পদে। ফলে নিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে সম্প্রসারণের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, একজন অপারেটর প্রতি মাসে পাবেন ৪ হাজার ৮০০ থেকে ১৩ হাজার ৭০০ দিরহাম। সেখানে ইউএভি প্রকৌশলী পাবেন ২২ থেকে ২৫ হাজার দিরহাম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে ধারণা রাখা ব্যক্তির বেতন ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত উন্নীত হতে পারে। ড্রোন পরিষেবাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোভায়া পরিকল্পনা নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বাজারে আধিপত্য ও সক্ষমতা বাড়ানোর। সেক্ষেত্রে নিয়োগ বাড়াতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন সম্ভাবনাময় শিল্প আকারে দেখা দিয়েছে। এমনকি খনিজ শিল্পেও বিপ্লব নিয়ে এসেছে ড্রোন ব্যবস্থাপনা। 

ফলে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিপুলভাবে বিনিয়োগ করছে ড্রোন পরিষেবায়। দেশটিও তাতে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। আরব আমিরাত জ্বালানি তেলের ওপর একক নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে চায়। বৈচিত্র্য আনতে চায় অর্থনীতিতে। ড্রোন শিল্পের সম্প্রসারণকে তার প্রমাণ বলে মনে করছেন মাইক্রোভিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালেকস ল্যাপিরভ।