আগামী জানুয়ারি থেকে অপরিশোধিত পাম অয়েলের রফতানি শুল্ক একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসছে মালয়েশিয়া। রফতানি শুল্ক বর্তমানের ৬ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে মূল্য অনুযায়ী ৮ শতাংশ পর্যন্ত হচ্ছে। রেফারেন্স মূল্যের ভিত্তিতে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল বোর্ড এ শুল্ক নির্ধারণ করেছে। খবর গো ইন্টেলিজেন্স।
করোনাভাইরাস মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত খাতটিকে চাঙ্গা করতে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অপরিশোধিত পাম তেলের রফতানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছিল পণ্যটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ মালয়েশিয়া। এর পরই দেশটি দাম অনুযায়ী কয়েক পর্যায়ের শুল্ক আরোপ করল।
শিল্পটির নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, জানুয়ারি থেকে পাম অয়েলের রেফারেন্স মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি টন ৩ হাজার ৪৭৫ রিঙ্গিত বা ৮৫৫ ডলার ৮১ সেন্ট। নতুন শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী, প্রতি টন ২ হাজার ২৫০ রিঙ্গিতের নিচে যেকোনো পরিমাণ অপরিশোধিত পাম তেলের রফতানিতে কোনো শুল্ক আরোপ করা হবে না। আর প্রতি টনের দাম ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৪০০ রিঙ্গিতের মধ্যে হলে সেখানে ৩ শতাংশ রফতানি শুল্ক আরোপ করা হবে। এছাড়া প্রতি টন অপরিশোধিত পাম তেলের দাম ৩ হাজার ৪৫০ রিঙ্গিতের ওপরে গেলে সর্বাধিক শুল্কহার ৮ শতাংশ কার্যকর হবে।
গত মাসে ভোজ্যতেলের একটি বড় আমদানিকারক দেশ ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ দাম কমানোর চেষ্টার অংশ হিসেবে অপরিশোধিত পাম তেলের আমদানি শুল্ক ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনে। উদ্ভিজ তেলের দাম বৃদ্ধিতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির হুমকির মুখে পড়ে সরকারগুলো তাদের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরো পদক্ষেপ নিতে পারে।
এর দুই সপ্তাহ আগে বিশ্বের সর্বোচ্চ পাম অয়েল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক ইন্দোনেশিয়া পণ্যটির রফতানি শুল্ক টনপ্রতি ৩ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩৩ ডলার নির্ধারণ করেছে। যুক্ত করা হয়েছে টনপ্রতি ১৮০ ডলারের আরোপিত কর।
মালয়েশিয়ার পাম অয়েলের রফতানি শুল্ক বৃদ্ধির এ ঘোষণা সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির দিকেও ইঙ্গিত করে। দক্ষিণ আমেরিকায় সয়াবিন উৎপাদনে শ্লথতার কারণে এরই মধ্যে বৈশ্বিক বাজারে উদ্ভিজ তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।










