পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশের বৈশ্বিক তালিকায় ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান শীর্ষে। চলতি  বছর দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদনে চাঙ্গা ভাব বজায় রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) দেশটির পাম অয়েল উৎপাদন বেড়েছে ১৪ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশন (জিএপিকেআই) সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর কমোডিটি অনলাইন।

জিএপিকেআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম আট মাসে দেশটি সব মিলিয়ে ৩ কোটি ৪৭ লাখ টন পাম অয়েল উৎপাদন করেছে, যা ২০১৮ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।

এর মধ্যে আগস্টে উৎপাদিত হয়েছে মোট ৪৭ লাখ টন পাম অয়েল, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। গত বছরের আগস্টে পণ্যটির উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪৩ লাখ ১৭ হাজার টন। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার টন।

উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এবার দেশটি থেকে পাম অয়েল রফতানিতেও চাঙ্গা ভাব বজায় রয়েছে। বছরের প্রথম আট মাসে দেশটি সব মিলিয়ে ২ কোটি ২৭ লাখ টন পাম অয়েল রফতানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।  

তবে আগস্টে পণ্যটির রফতানি আগের মাসের তুলনায় সামান্য কমেছে। আগস্টে ইন্দোনেশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ২৮ লাখ ৯০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে। জুলাইয়ে রফতানির পরিমাণ ছিল ২৯ লাখ টন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি কমেছে ১০ লাখ টন।