আসন্ন রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ ও বাজারে মূল্য সহনীয় রাখতে ১০টি পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিপরীতে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ ১ থেকে গতকাল এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। দেশের কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে, যা ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আসন্ন রমজান মাসে এসব পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সহজীকরণ, মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র খোলার বিপরীতে সংরক্ষণযোগ্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কয়েকটি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর জারি করা আরেকটি সার্কুলারে রমজানের চাহিদা বিবেচনায় কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ওই নির্দেশনার কার্যকারিতা ছিল ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

এবারে রমজানকে সামনে রেখে একই ধরনের সুবিধা পুনর্বহাল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।