দীর্ঘদিন বন্ধের পর পুনরায় বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ফের সরবরাহ শুরু করতে পারে। এর আগে ডাটা বিশ্লেষণসংক্রান্ত ইস্যুতে উড়োজাহাজটির সরবরাহ বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। খবর সিএনবিসি।
এফএএ কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘উড়োজাহাজটি নিয়ে কর্তৃপক্ষের শর্তগুলো পূরণ করেছে বোয়িং। শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটির উড়োজাহাজ চলাচলের যোগ্যতার সার্টিফিকেট দেয়া হবে। কয়েকদিন আগে বোয়িং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এয়ারলাইনস ও অন্যান্য ক্রেতার কাছে উড়োজাহাজ সরবরাহ পুনরায় শুরু করতে প্রয়োজনীয় সব কাজ শেষ হয়েছে।
বোয়িংয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের বিচার-বিশ্লেষণ সম্পন্ন করেছি। উড়োজাহাজটি এখন উৎপাদন ও উড্ডয়নসংক্রান্ত সব শর্ত পূরণ করেছে। এফএএ নির্ধারণ করবে, কবে থেকে ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি পুনরায় আকাশে উড়তে এবং সরবরাহ শুরু করতে পারবে। আমরা এরই মধ্যে আমাদের গ্রাহকদের সঙ্গে সরবরাহের সময়সূচি নিয়ে কাজ করছি।’
ড্রিমলাইনারটি পুরনো জটিলতা সমাধান করে পুনরায় ব্যবসায় ফিরেছে এমন সংবাদে বোয়িংয়ের শেয়ারমূল্য প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বোয়িংয়ের উড়োজাহাজটিতে ডাটা বিশ্লেষণসংক্রান্ত একটি ত্রুটি শনাক্ত হয়। তখন থেকেই এর সরবরাহ বন্ধ।
বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ পরিষেবা বন্ধের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। এটি ছিল সর্বশেষ। এর আগে টুইন-আইজল বা বৃহদাকৃতির উড়োজাহাজগুলোয় উৎপাদন ত্রুটি দেখা গেছে। এ কারণে বোয়িংয়ের একটি সিরিজ গত আগস্ট পর্যন্ত দুই বছরের অধিক সময় সরবরাহ স্থগিত করতে বাধ্য করেছিল।
ড্রিমলাইনারের গ্রাহকদের মধ্যে আমেরিকান এয়ারলাইনসের মতো বড় বড় উড়োজাহাজ সংস্থা রয়েছে।










